৭৭৭ কোটি টাকার নির্মাণকাজে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৯ শতাংশ কমিশন দাবির অভিযোগ ওঠার পর রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়রে (রামেবি) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. জাওয়াদুল হককে অপসারণে তিন দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে সচেতন রাজশাহীবাসী।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে একই দিন সংবাদ সম্মেলন করে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভিসি।
রামেবির স্থায়ী ক্যাম্পাসে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে সম্প্রতি ছয়টি প্যাকেজে ৭৭৭ কোটি টাকার দরপত্র আহŸান করেন প্রকল্প পরিচালক (পিডি) ও ভিসি অধ্যাপক ডা. জাওয়াদুল হক। অভিযোগ উঠেছে, এসব কাজ পাইয়ে দিতে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৯ শতাংশ কমিশন দাবি করা হয়েছে।
জেনিট কর্পোরেশনের স্বত্বাধিকারী আতাউর রহমান টিপুর দাবি, দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তাকে কাজ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এবং এর বিনিময়ে ৯ শতাংশ কমিশন চাওয়া হয়। এ অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে রাজশাহীতে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয় এবং বিভিন্ন মহল থেকে ভিসির অপসারণ দাবি ওঠে।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় সচেতন রাজশাহীবাসীর ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদের সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, তিন দিনের মধ্যে ভিসি জাওয়াদুল হককে অপসারণ করতে হবে, অন্যথায় তার দপ্তর ঘেরাও করা হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ভিসি নানা অনিয়মে জড়িত। ক্যাম্পাসের কয়েক হাজার গাছ কাটা, গাছের আম লুট এবং শত কোটি টাকার গাছ নামমাত্র মূল্যে একটি সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি। তার ভাষ্য, এখন আবার ৭৭৭ কোটি টাকার কাজ দিতে ৯ পার্সেন্ট কমিশন চেয়েছেন। দুর্নীতিগ্রস্ত এই ভিসিকে দ্রæত অপসারণ না করলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
কর্মসূচিতে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন অভিযোগ করেন, উপাচার্য অতীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দুর্নীতি করেছেন এবং নিয়োগ বাণিজ্যের সঙ্গেও জড়িত। তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি একজন পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যার সনদ নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
মানববন্ধনে বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলী বরজাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, আসলাম-উদ-দৌলা, সালাহউদ্দিন মিন্টু ও শফিকুর রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বক্তব্য দেন।
অভিযোগ ওঠার পর বুধবার সকালে নিজ দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন করেন ভিসি অধ্যাপক ডা. জাওয়াদুল হক। তিনি বলেন, যে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তারা এখনো রামেবির কোনো কাজ করেনি। তাদের কাছে ঘুষ চাওয়ার প্রশ্নই আসে না।
তার দাবি, সব দরপত্র প্রক্রিয়া নিয়ম মেনেই পরিচালিত হচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমি কোনো অনিয়ম করিনি বলে দাবি করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ঠিকাদারী কাজ সংক্রান্ত সংবাদের সংবাদের বিষয়ে মামলা করবেন কি না? এমন প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে যারা আছেন, বিষয়টি তারা দেখছেন।
অভিযোগ-প্রতিআভিযোগের মধ্যে রাজশাহীতে উত্তেজনা বাড়ছে। তিন দিনের আল্টিমেটামের পর প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সে দিকে নজর স্থানীয়দের। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো লিখিত তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা এখনো দেওয়া হয়নি।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে একই দিন সংবাদ সম্মেলন করে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভিসি।
রামেবির স্থায়ী ক্যাম্পাসে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে সম্প্রতি ছয়টি প্যাকেজে ৭৭৭ কোটি টাকার দরপত্র আহŸান করেন প্রকল্প পরিচালক (পিডি) ও ভিসি অধ্যাপক ডা. জাওয়াদুল হক। অভিযোগ উঠেছে, এসব কাজ পাইয়ে দিতে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৯ শতাংশ কমিশন দাবি করা হয়েছে।
জেনিট কর্পোরেশনের স্বত্বাধিকারী আতাউর রহমান টিপুর দাবি, দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তাকে কাজ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এবং এর বিনিময়ে ৯ শতাংশ কমিশন চাওয়া হয়। এ অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে রাজশাহীতে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয় এবং বিভিন্ন মহল থেকে ভিসির অপসারণ দাবি ওঠে।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় সচেতন রাজশাহীবাসীর ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদের সভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, তিন দিনের মধ্যে ভিসি জাওয়াদুল হককে অপসারণ করতে হবে, অন্যথায় তার দপ্তর ঘেরাও করা হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ভিসি নানা অনিয়মে জড়িত। ক্যাম্পাসের কয়েক হাজার গাছ কাটা, গাছের আম লুট এবং শত কোটি টাকার গাছ নামমাত্র মূল্যে একটি সিন্ডিকেটের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি। তার ভাষ্য, এখন আবার ৭৭৭ কোটি টাকার কাজ দিতে ৯ পার্সেন্ট কমিশন চেয়েছেন। দুর্নীতিগ্রস্ত এই ভিসিকে দ্রæত অপসারণ না করলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
কর্মসূচিতে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন অভিযোগ করেন, উপাচার্য অতীতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দুর্নীতি করেছেন এবং নিয়োগ বাণিজ্যের সঙ্গেও জড়িত। তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি একজন পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যার সনদ নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
মানববন্ধনে বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলী বরজাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, আসলাম-উদ-দৌলা, সালাহউদ্দিন মিন্টু ও শফিকুর রহমানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বক্তব্য দেন।
অভিযোগ ওঠার পর বুধবার সকালে নিজ দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন করেন ভিসি অধ্যাপক ডা. জাওয়াদুল হক। তিনি বলেন, যে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তারা এখনো রামেবির কোনো কাজ করেনি। তাদের কাছে ঘুষ চাওয়ার প্রশ্নই আসে না।
তার দাবি, সব দরপত্র প্রক্রিয়া নিয়ম মেনেই পরিচালিত হচ্ছে এবং তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আমি কোনো অনিয়ম করিনি বলে দাবি করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ঠিকাদারী কাজ সংক্রান্ত সংবাদের সংবাদের বিষয়ে মামলা করবেন কি না? এমন প্রশ্নে জবাবে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট দায়িত্বে যারা আছেন, বিষয়টি তারা দেখছেন।
অভিযোগ-প্রতিআভিযোগের মধ্যে রাজশাহীতে উত্তেজনা বাড়ছে। তিন দিনের আল্টিমেটামের পর প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সে দিকে নজর স্থানীয়দের। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো লিখিত তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা এখনো দেওয়া হয়নি।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :